Monday, December 21, 2020

করুণা নিয়ে কিছু কথা করুনার পরিস্থিতি করুণা অবস্থা

 


 ভয় বাড়াচ্ছেকরােনার নতুনধরনআমাদের সময় ডেস্ক গুষ্টি

যুক্তরাজ্যে প্রাণঘাতী নতুন করােনা

ভাইরাসের আরেকটি নতুন প্রকরণ

শনাক্ত হয়েছে যা মূল রূপটির চেয়ে।

অরিও দ্রুত সংক্রমণ ঘটাতে সক্ষম। 

এছাড়া নেদারল্যান্ডস, ডেনমার্ক ও অস্ট্রেলিয়ায়ও নতুন ধরনটির সন্ধানমিলেছে। ফলেএ নিয়ে ভয় বাড়ছে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন,এটা দ্রুত ছড়ালেও ততটা প্রাণঘাতী নয়। যুক্তরাজ্যে প্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা ক্রিস উয়িটি জানিয়েছেন, নতুন প্রকরণের করােনা ভাইরাসটি যেন মৃত্যুর হার আরও বৃদ্ধির কারণ হতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে জরুরি ভিত্তিতে কাজ শুরু করা। হয়েছে। তিনি বলেছেন, গবেষণায প্রাথমিক তথ্য

দক্ষিণপূর্বাঞ্চলে দ্রুত বাড়তে থাকা কারণে। আমরা ভাবছি, নতুন ধরনটি আরও দ্রুতছড়াতে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা 

বিবিসিকে বলেছে, এ বিষয়ে তারাযুক্তরাজ্যের। সঙ্গে।

সার্বক্ষণিকযোগাযােগ।ঘটনার হারের

দুলাল হেসেন ওদেশে গত২৪ ঘণ্টায় করােনা।

ভাইরাসে আক্রান্ত ১ হাজার ১৫৩ জন শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে করােনা।রােগীর সংখ্যা ৫ লাখ ছাড়াল।করােনায় আক্রান্তদের মধ্যে যুবকের সংখ্যা বেশি। বয়স্ক মানুষ বেশি মারা

গেছেন। গতকাল রবিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে এ তথ্য পাওয় গেছে।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সমন্বিত নিয়ন্ত্রণকেন্দ্রের তথ্যমতে, ৮ মার্চ প্রথম ৩জন করােনা রােগী শনাক্ত হয়।ওইদিন থেকে গতকাল পর্যন্ত ৩০ লাখ৭৫ হাজার ৯৬৮টি নমুনা পরীক্ষার

করে শনাক্ত হয়েছে ৫ লাখ ৭১৩জন। নমুনা পরীক্ষায় রােগী শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ২৮ শতাংশ। শনাক্তবিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৭ দশমিক ৩৮ এবং মৃত্যুহার ১ দশমিক ৪৫ শতাংশ। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৪লাখ ৩৭ হাজার ৫২৭ জন।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে,প্রথম রােগী শনাক্তের ১০ দিন পর ১৮মার্চ প্রথম মৃত্যু হয়। প্রথম দিকেশনাক্তকরণ পরীক্ষা।আইইডিসিআরের সীমাবদ্ধ ছিল।বর্তমানে ১৬০টিল্যাবরেটরিতেকরােনা পরীক্ষা করা হচ্ছে।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে,করােনায় আক্রান্তদের মধ্যে যুবকের সংখ্যাই বেশি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান বলছে, দেশে শূন্য থেকে ১০ বছর বয়সীদের মধ্যে শনাক্তের হার 2.90 শতাংশ11 থেকে 20বছর বয়সী 7.30শতাংশ, 21 থেকে

৩০ বছরের মধ্যে ২৭.৩০ শতাংশ, ৩১ থেকে ৪০ বছর বয়সী ২৭.১০ শতাংশ, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে। ১৭.৩০ শতাংশ, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ১১.২০ শতাংশ এবং ৬০ বছরের বেশি বয়সী ৬.৭০ শতাংশ। রয়েছে। করােনায়।আক্রান্তদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি।মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে আর সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে। যারা মারা গেছেন তাদের মধ্যে বয়স্ক

মানুষই বেশি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান বলছে, দেশে ৬০ বছরেরবেশি বয়সী মৃত্যুর হার ২৪.২৩শতাংশ, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ২৫.৫৬ শতাংশ, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ১১.৭৬ শতাংশ, ৩১ থেকে ৪০ বছর বয়সী ৫.০৫ শতাংশ, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে ২০১৭ শতাংশ, ১১ থেকে ২০ বছর বয়সী ০.৭৬ শতাংশ এবং শূন্য থেকে ১০ বছর বয়সীদের ০.৪৭ শতাংশ। রয়েছে। করােনা প্রাদুর্ভাবের পিকটাইম

ছিল মে-জুনে। ওই সময়ে প্রতিদিন ৪ হাজারের বেশি রােগী শনাক্ত হয়েছিল। এবং মারা গেছে ৫০ জনের বেশি। ওই সময়ে রােগী শনাক্তের হার ছিল। ২৪ থেকে ২৫ শতাংশের বেশি।

আগস্টের শেষ ও সেপ্টেম্বরে শুরুতে করোনার সংক্রমণের কমতে শুরুকরে। সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে করােনার সংক্রমণ হার ১০-১১ শতাংশে নেমে আসে। নভেম্বর থেকে সংক্রমণ ফের

বেড়ে ১২-১৩ শতাংশ ওঠে।

যায়৬০বছরে কমএবং8জননারী24ঘণ্টায়মৃতদেরবয়সবিশ্লেষণে দেখা।মৃত্যুহার 1সপ্টের70 হাজার 600শনাক্ত পাচ লাখ ছাড়াল।

(প্রথম পৃষ্ঠার পর) কয়েকদিন ধরে সংক্রমণ হার কিছু কমে ১০ শতাংশ বা তার নিচে দেশে সবচেয়ে বেশি রােগী শনাক্ত হয়েছে জুনে, 98 হাজার 330 জন। আর এপ্রিল 30এপ্রিল পর্যন্ত 63 হাজার 64টি নমুনা পরীক্ষায় শনাক্ত হয়েছে 7 হাজার 616জন। একই সময়ে করােনায় মারা গেছে 163এবং সুস্থ হয়েছে 135 জন। নমুনাপরীক্ষায় রােগী শনাক্তের হার 12 দশমিক শূন্য 8 শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার 2 দশমিক 15শতাংশ এবং সুস্থতার হার 1 দশমিক 78 শতাংশ।মে: 31 মে পর্যন্ত 2 লাখ 44 হাজার 264টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। শনাক্ত হয় 39  হাজার 486 জন। একই সময়ে মারা গেছে 482 জন এবং সুস্থ হয়েছে 9 হাজারবিবেচনায় মৃত্যুর হার 1 দশমিক 22 শতাংশ এবং সুস্থতার ২৪ দশমিক ৩৬ শতাংশ।জুন : ৩০ জুন পর্যন্ত ৪ লাখ ৫৭ হাজার ৪৭৭টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। শনাক্তহয়েছে ৯৮ হাজার ৩৩০ জন। মারা গেছে ১ হাজার 192 জন এবং সুস্থ হয়েছে ৪৯ হাজার৮৪৪ জন। রােগী শনাক্তের হার ২১ দশমিক ৪৯ শতাংশ। মৃত্যুর হার ১ দশমিক ২১শতাংশ।জুলাই : ৩১ জুলাই পর্যন্ত ৪লাখ ১০ হাজার ৪০২টি নমুনা পরীক্ষায় শনাক্ত হয়েছেজন।শনাক্তের ।

৯২ হাজার ১৭৮ জন। মারা যান ১ হাজার ২৬৪ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ৭৫ হাজার ৫১১সুস্থতার হার ৮১ দশমিক ৯২ শতাংশ।

হার ২২ দশমিক ৪৬ শতাংশ। মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৩৭ শতাংশ এবংআগস্ট : আগস্ট পর্যন্ত পরীক্ষাহাজার।[ হয়েছে ৩ লাখ ৭৩ হাজার ৩৯৪টি। শনাক্ত হয়েছে।৩৩৫ জন। মারা যান ১ হাজার ১৭০ জন এবং সুস্থ হয়েছে ৬৯ হাজার ৭৫১জন । নমুনাপরীক্ষায় রােগী শনাক্তের হার ২০ দশমিক ১৭ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায়

দশমিক ৫৫ শতাংশ এবং সুস্থতার হার ৯২ দশমিক ৫৯ শতাংশ।

৩০ সেপ্টেম্বর দুপুর পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৩ লাখ ৯৭হাজারজন। রােগ৪৫১টি। শক্ত হয়েছে ৫০ হাজার ৪৮৩ জন। মঝা গেছে ৯৭০ জন এবং সুস্থ হয়েছেশনাক্তের হার ১২ দশমিক ৭৫ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায়মৃত্যুর হার1 দশমিক92শতাংশ।আর শনাক্তের তুলনায় সুস্থতার সংখ্যা প্রায় দেড়গুণ ।অক্টোবর। ৩১ অক্টোবর পরীক্ষা হয়েছে ৩ লাখ ৮৮ হাজার ৬০৭টি। রােগী শনাক্তজন। নমুনা পরীক্ষায় রােগী শনাক্তের হার 11 দশমিক 37 শতাংশ। শক্ত বিবেচনায়মৃত্যুর হার 1দশমিক 52 শতাংশ । শনাক্তের তুলনায় সুস্থতার সংখ্যা বেশি।নভেম্বর : ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত নতুনা পরীক্ষা হয়েছে ৪ লাখ ৩৬ হাজার ৪৩১টি । রোগী।

শনাক্ত হয়েছে 57 হাজার 248জন। একই সময়ে মারা গেছে ৭২১ দেশ এবং সুস্থ হয়েছে।৫৬ হাজার ৫৬৬ জন। নমুনাপরীক্ষায় রােগী শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ১২ শতাংশশনাক্তমৃত্যুরহার1দশমিক26শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায়সুস্থতারহার১৮,81ডিসেম্বর : গতকালপর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা হয়েছে 

৩ লাখ ২ হাজার ৯৭৯টি। এসব নমুনাথেকে রােগী শনাক্ত হয়েছে৫ হাজার ৭৮১ জন। একই সময়ে মারা গেছে ৬৩৬ জনএবংসুস্থ হয়েছে ৫৬ হাজার ৮১৬ জন।।২৪ ঘন্টায় ৩৮ মৃত্যু, শাক্ত ১,১৫৩ : দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করােনায় আক্রান্ত ১হাজীর ১৫৩ জন শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশে করােনা রােগী শনাক্তের সংখ্যা ৫ লাখ২৪. ঘণ্টায় করােনায় মারা গেছে ৩৮ জন। এ নিয়ে দেশে করােনায় মৃতেরসংখ্যা দাড়াল ৭ হাজার ২৮০ জন। গতকাল রবিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে।সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টার ১৩ হাজার ৩১৬টি নমুনা

পরীক্ষারমাধ্যমে।৮দশমিক ৬৬ শতাংশ। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ৩৮ জন।এর মধ্যে ৩০ জন।

বয়সী ২২ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৯ জন, ৪১ থেকে

৫০ বছরের মধ্যে ৪ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ১ জন এবং ২১ থেকে ৩০ বছরের।মধ্যে ১ জন রয়েছে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছে ১ হাজার ৯২৬জন। এর মধ্যে ঢাকা বিদ্যাগে ১ হাজার ৪৩৩ জন দগ্রায় বিভাগে ২৯২ জন,

বংপুরে ২৫ময়মনসিংহে ৭ জন রয়েছে। ২৪ ঘণ্টায়আইসোলেশনে যুক্ত হয়েথে ১২৯ জন এবং ছাড়াপেয়েছে ১৫৬ তান। বর্তমানে আইসােলেশনে আছে ১২ হাজার ৩২৮ জন। 24 ঘণ্টায়কোয়ারেন্টিনকরা হয়েছে  550 জন এবং ইহা পেয়েছে 1  হাজার    52 জন। বর্তমানেকেয়ারেন্টিনে আছে 39 হাজার 446 জন।ড। রূয়াশায় ফসল।শতাংশএ তথ্য জানানাে হয় ।.শিস!নি


Disqus Comments