![]() |
| সব উপজেলায় বিদ্যুৎ সুবিধা এলাকায় যেখানে যা মুলিববর্ষের মধ্যেই শেষ হবে। |
সব উপজেলায় বিদ্যুৎ সুবিধা এলাকায় যেখানে যা মুলিববর্ষের মধ্যেই শেষ হবে।
Pলকরিম,আসেনজিলনিছরতাপাওয়ারতিনকোম্পানিরডিভিলিহ১২লাম8.চিড়িসনথাপাছা,।রFaএকটি নান্দনিক ও বহুতল ভবনে পুনঃনির্মাণ কন্যা হতে পারেপিছড়ি উডির সঙ্গে হওয়া শেষ সাক্ষাতে তাদের সুপারিশসেখানে সমানভাবে ভূমিকা রাখে।সব উপজেলায় বিদ্যুৎ সুবিধাহকে শিশুপ্রথম পৃষ্ঠার পর) হয়েছে। এৰে 'অফও এলাকায় যেখানে যা মুলিববর্ষের মধ্যেই শেষ হবে। অফঘিড়ে থাকাপটুয়াখালীরক্যাবল, সোলার প্যানেল, সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনকরে বিদ্যুতায়ন করা।গ্রিডের কিং পৌনাে যদি না- এমন গ্রামগুলােয় সাবমেরিন। Sদ বালা, জামালপুর, ভােলা, খুঞ্চিতা, গাইবান্ধাসহ বেশকিছুকোলায় পড়েছে এসব সুম গুটি। কোথাওঁ সাবমেরিন ক্যাবলের।হচ্ছে। এমন এমের সংখ্যা ১ হাজার ২৫টি। এ গ্রামগুলাে অতি মাধ্যমে এবার কোণও সােলার হোমসিস্টেমের মাধ্যমে এসবদুর্গম স্বপ, দুর্গম গিল এবং পাহাড়ি জনপদএগুলােয় বিদ্যুৎ গ্রামে বিদ্যুৎ পৌছে দেওয়ার কমল তুলছে।প্রথম ধাপে এ89পৌছলেই হবে দেশে শতভাগ বিদ্যুতায়ন।গ্রামের ১ ল খ ৫৫ হাল আহককে বিদ্যুৎ দিতে ৩৫টি স্থানে নদীর২০০৯ সালে বর্তমান সরকারের ক্ষমতা গ্রহণের সময় দেশেরতলদেশ দিয়ে প্রায় দুই কিলােমিটার পর্ভ সাবমেরিন ক্যাবল৫৭ শতাংশ মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধার কাইনে ছিল। সে সময় বিদ্যুৎ স্থাপনের কাজচলমান। দ্বিতীয় ধাপে ৩৮৪টি গ্রামে ৯০ হাজারউৎপাদন সক্ষমতা ছিল ৪ হাজার ৯৪২ মেগাওয়াট। সহিনীর২ দিতে ৫০টি স্থানে সাবমেরিন ক্যাবল দিয়ে বিদ্যুৎঅর্ধেক বিদ্যুৎ উৎপাদনে হিমশিম খেত বিদ্যুৎ বিভাগ। ঘণ্টার পর নেওয়ার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন। অবশিষ্ট ১৯ এম বেশি দুর্গমএলকায়। অধিকাংশ মেই, স্থায়ী জনবসতি নেই। কেবল ,নিয়ে মানুষে অভিযােগ ছিল অন্তহীন অতিরিক্ত my taxt
লোডশেডিংয়েরমৌসুমে বিক্ষিপ্তভাবে মানুষ বসবাস করা গ্রাহক ঘনত্ব অত্যন্তকারণ শিল্প ও বাণিজ্যিক উৎপাদনে স্থবিরতা তৈরি হয়। যানে। কম। এই ২৯ মের বা হাম্বার হকের জন্য সােলার গুরুত্বপূর্ণ হোমবিনুষি উৎপাদন ক্ষমতা ২৩ হাজার ৫৪৮ মেগাওয়াট ক্যপটিত , সিস্টেম স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আশা ছি, আগামীনবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ)। চাহিদার চেয়ে এখন উৎপাদন। মাটেই শতভাগ বিদ্যুতায়নের কাজ সম্পন্ন হবে।
সক্ষমতা বেশি। তাই এখন কারিগরি ত্রটির কারণে মাগাে মাঝে
| বদলেহে জীবনযাপন, অর্থনীতি ও বিদাং পেয়ে দলেছে
মানুষের বন্যাপন, গতি ফিরছে 'অর্থনীতিতে। কৃষিকাজে
শতভাগ বিদ্যুতায়নের বিষয়ে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হ্যামিদ বিদ্যুতের ব্যবহারে কৃষির উৎপাদনে পরিবর্তন এসেছে বিপুল।
আমাদের সময়কে বলেন, আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি সেচনির্ভর কৃষি খাতে অমূল পরিবর্তনের ছোঁয়া লেগেছে
ছিল মানুষের ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌছে দেওয়া। ২০০৪ সালে
ক্ষমতায় আসার পরপরই প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বিনা মজুণালয় এখন প্রায় প্রতিটি গ্রামে বিদ্যুৎ পৌছে যাওধায়
নিলস পরিশ্রম করে সেই মুক্ত করে যাচ্ছে। বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী। উকেখযােগ্য হারে সেচ সংখ্যা বেঙেছে। সরকারি পরিসংখ্যান
বলেন, 'তবে কিছু দুর্গম এলাকা রয়েছে, সেখানেও পূণ শিগরিই
অনুযায়, ২০০৯ সালে যেখানে সারাদেশে সে সংযােগ ছিল ২
বিদ্যুৎ পৌছে দিতে কাক্কা রিজে শ্রী বিদ্যুতায়ন বোর্ড। লাখ ৩৪ হলার, সেখানে এখন সেচের এহক ১ লাখ ২৮ হাজার
দক্ষিণাঞ্চলের মধ্যে পটুয়াখালী ও ভােলার নায় কয়েকটি বেড়ে ৩ লাখ ৬২ হাঙ্গার প্রবৃদ্ধি ৫৬ ভাগের পরে। এ ডাও
চরাঞ্চলেও বিদ্যুৎ পৌছে দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে অফগ্রিতে সৌর বিদ্যুতের মাধ্যমে সেবস্থার সম্প্রসারণে শু হাসছে।
এখন সােৱধার মে সিস্টেম ব্যবহার করা হলেও পর্যায়ক্রমে এসব সরকারি অবকাঠামাে উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান ইত্ৰকল ৫০ হাজার সোঁর।
এতেও প্রিন্দ্রের বিদ্যুৎ সরবরাহ বা হবে।সিচ পাম্প স্থাপন করছে।
বিদ্যুতায়নে সরকার যা করছ । সেশের উকুর, পশ্চিম ও হয়ই নৈতিক বিশ্লেষকদে মতে,nlামে বিদ্যুৎ পৌঁছে যাওয়ায়।
দক্ষিণ- তিনদিকে বঙ্গোপসাগর আর পুর্বে কুতুবদিয়া চ্যানেল। মানুষেবজীবনধারায় পরির্তন হয়েছে। মানুষের কর্মঘণ্টা
মাঝদ্যানে প্রায় ২১৫ বর্গকিলােমিটার এলাক নিয়ে সাগরের বুকে কর্মপরিধি বেড়েছে। আমাণ অর্থনীতিতে নীরব পরিবর্তন
ভেসে আছে কুতুবদিয়া কঁপ। দেশেণ মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন
এ ঔপটিকে চট্টমের সন্দ্বীপের মতাে জাতীয় শিক্ষার্থীদের অধ্যয়নের উন্নত পরিবেশ তৈরি হয়েছে। ডিজিটাল
জিভের অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে এ বংলানেশ পার অন্যতম সহযোগী হিসেবে কাজ করেছে এই
কিলোমিটার পথ সাবমেরিন কাবা। ইপন করা হচ্ছে। বিতায়ন। কারোনা পরিস্থিতিতে অনলাইন শিক্ষার সুযােগ
কক্সবাজার
মাতারবার্ট কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে হয়েছে এমন গ্রামে গেলে আর বেকার মন পায়া যায় না।
সাগরের তলদেশ দিয়ে বিদ্যুৎ যাবে কুতুবদিয়ায়, কি সুবিধার যে মানুষটি আগে ছুিই করতেন না, উিনি হাতে একটি
আওতায় আসলে ২ দণি বাসিন্দা।ব্যাটারি চালিত ভ্যান বা ইজিবাইক চালাচ্ছেন। 'অাবা নতুনবাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বাের্ড (পিডিবি) , জনায়, কোনাে রাইস মিল যা বিদ্যুৎসালিত জােট ছােট কারখানায় কাজআইপিপিপির মাধ্যমে হাতিয়া পে ৮ থেকে ১০ মেগাওয়াটকরছেন। সরকার এটি বিদ্যুৎ বিত্ররণ নাম্পানির মাধ্যমে দেশের।তরল আলানিকিত্ত্বিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করে হাতিয়া দ্বীপে। সব গ্রহণের কাছে হিন্দু পৌছে দিয়ে। তবে দেশের সিংহ।শতভাগ বিদ্যুতায়ন করা হবে। সবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে মানুষের কাছে বিদ্যুৎ পৌছে দিচ্ছে বিআরইবি। দেশের ৩ কোটিহাতিয়া থেকে চ্যানেলের তলদেশ দিয়ে নিঝুম কাপু এবং মগনাম ৮৭ লাখ গ্রাহকের মধ্যে বিআরইবির গ্রাহক সংখঃ ৩ কোটি ৫.লাখ। বিনুৎ উন্নয়ন বাের্ভে'ও (পিডিবি) দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে।বিদ্যুতায়ন করা হবে। বর্তমানে পিডিবি গ্রাহক সংখ্যা । প্রায় ৩৩ লাখ খাতুক । ঢাক্া বিলুৎ বিতরণকারী ম.
লেজার ৮ জন, কুতুবদিয়া পেহজ ২০০ জন।নিয়ম দ্বীপে মেনাে এহ নেই প্রস্তাবিত প্রকল্পের মাধ্যমে ৩৭ হাজার, ঢাক্স ইলেক্ট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানির (ডেসন্সে) ১০ লাখএমডিএ বা ৩০ মেগাওয়াট ক্ষমতা বাড়বে এসবের মাধ্যমে ৪২ গ্রাই উৎরালের ১৬ ফেলা। বিদ্যুৎ বিতরণের নয়িত্বে থাকি।)এদিকে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বাের্ডের (আরইবি)অয়েস্ট জোন পায়ার স্ট্রিবিউশন এচেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মুঈন উদ্দিন (অব) আমাদের দক্ষিণের ২১ জেলার ১৩লাঘ প্রাহকের ঘরে বিদ্যুৎ দিচ্ছে।সময়কে বলেন, দেশে মােট ৪৬২টি উপজেলার মধ্যে ৪৬১টিতে নেসকোর সূত্রে জানা যায়, ‘পদা ও হিক্সার কিছু দূর্গম চরে।শতভাগ বিদ্যুতায়ন সম্পন্ন হয়েছে
আরইবিরআওতাধীনযাঁরাণুতের।অফান্ডে থাকা ১ হাক্কার ২৫টি খামে বিদ্যুতায়নের কাজ চলছে, মাধ্যমে অলােনি'
করার সিত্ম নিয়েছেকক্সবাজারে ঈ এজার 4 গান হলােগ্রসিটি সপ্তাহ পানির কোন ওজোপাডিকো)
